খালেদা জিয়া অসুস্থ অবস্থায় এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর থেকেই সর্বস্তরের জনগণ ব্যাপক উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় দিন কাটান। তার প্রতি মানুষের যে অপরিসীম ভালোবাসা, তা প্রকাশ পায় হাসপাতালের সামনে ভিড়ে। জনগণের ভিড় সামলাতে পুলিশকে হিমশিম খেতে হয়েছে। ঢাকাসহ সারাদেশের জেলা-উপজেলার মসজি ও মাদরাসায় টানা দোয়া মাহফিল চলতে থাকে। দোয়া হয় প্রতি শুক্রবার জুমার নামাজের পর। রাজনৈতিক দলের নেতারা মন্তব্য করেছেন, খালেদা জিয়া এখন আর শুধু কোনো নির্দিষ্ট দলের নেত্রী নন, তিনি সমগ্র বাংলাদেশের মানুষের প্রিয় নেত্রী এবং জাতীয় ঐক্যের প্রতীকে পরিণত হয়েছেন। দল-মত নির্বিশেষে সাধারণ মানুষ এবং বিশ্বনেতারাও তার অসুস্থতায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন, যা তাকে একটি জাতীয় অভিভাবকের আসনে উন্নীত করেছে, তার দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম, বিশেষ করে গত দেড় দশকের প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও দেশ না ছাড়ার আপোসহীন মনোভাব এবং জেল-জুলুমের অপরিসীম ত্যাগ তাকে সাধারণ মানুষের কাছে এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে।
এদিকে রাষ্ট্রীয় পর্যায় থেকেও গভীর শোক জানানো হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এক শোকবার্তায় বেগম খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন। তিনি বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক পরম মহিমান্বিত ব্যক্তিত্ব। গণতন্ত্র, বহুদলীয় রাজনৈতিক সংস্কৃতি এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে তাঁর অসামান্য ভূমিকা ইতিহাসে অম্লান হয়ে থাকবে। স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে তাঁর আপসহীন নেতৃত্ব বারবার জাতিকে গণতন্ত্রহীন পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের পথ দেখিয়েছে এবং মুক্তির প্রেরণা যুগিয়েছে। দেশ ও জাতির প্রতি তাঁর সমুজ্জ্বল অবদান জাতি চিরকাল শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।
তিনি আরও বলেন, তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক যাত্রা, গণমুখী নেতৃত্ব এবং প্রিয় মাতৃভূমির স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে সমুন্নত রাখতে তাঁর অবিচল ভূমিকা অবিস্মরণীয় হয়ে থাকবে। এমন একজন মহান, দূরদর্শী ও নিখাদ দেশপ্রেমিক নেত্রীর শূন্যতা পূরণ হবার।
এদিকে রাষ্ট্রীয় পর্যায় থেকেও গভীর শোক জানানো হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এক শোকবার্তায় বেগম খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন। তিনি বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক পরম মহিমান্বিত ব্যক্তিত্ব। গণতন্ত্র, বহুদলীয় রাজনৈতিক সংস্কৃতি এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে তাঁর অসামান্য ভূমিকা ইতিহাসে অম্লান হয়ে থাকবে। স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে তাঁর আপসহীন নেতৃত্ব বারবার জাতিকে গণতন্ত্রহীন পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের পথ দেখিয়েছে এবং মুক্তির প্রেরণা যুগিয়েছে। দেশ ও জাতির প্রতি তাঁর সমুজ্জ্বল অবদান জাতি চিরকাল শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।
তিনি আরও বলেন, তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক যাত্রা, গণমুখী নেতৃত্ব এবং প্রিয় মাতৃভূমির স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে সমুন্নত রাখতে তাঁর অবিচল ভূমিকা অবিস্মরণীয় হয়ে থাকবে। এমন একজন মহান, দূরদর্শী ও নিখাদ দেশপ্রেমিক নেত্রীর শূন্যতা পূরণ হবার। সারা বাংলাদেশ শোকাহত। কাঁদছে বাংলাদেশ।