নাগেশ্বরী প্রতিনিধিঃ
“এবার শীত বেশি পড়ছে। দিনে কোনোরকমে থাকতে পারলেও রাইতে ঠান্ডায় শরীর জইম্যা যায়। আমারে কম্বলডা দিয়ে উপকার করল্যা তোমরা। কম্বল গায়ে দিয়্যা কামকাজও করতে পারমু”
গত মঙ্গলবার সকালে আর্তমানবতার সেবায় একঝাঁক তরুণ-যুবকদের নিয়ে গঠিত স্পর্শ ফাউন্ডেশনের কম্বল পেয়ে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করছিলেন ষাটোর্ধ্ব আবেদ আলী । তাঁর বাড়ি নাগেশ্বরী উপজেলার ২নং রায়গঞ্জ ইউনিয়নের মাষ্টার মোড় গ্রামে।
কম্বল পেয়ে খুশি বিধবা সালেহা বেগম (৬৫) বলেন, ‘ঠান্ডায় ঘরের বাইরে যাওয়া যায় না। হাত-পা কোকড়ায়ে যায়। বয়স হইছে, কামকাজ করার পারি না। তোমাগো এই কম্বলটা খুব কাজে দিব।’
পনি মিয়া (৭০) বয়সের ভারে কাজ করতে পারেন না, তার ওপর অসুস্থ। তিনিও কম্বল নিতে এসেছিলেন। কম্বল পেয়ে বলেন, ‘আমাগো মতো অসহায় মানুষের কথা আপনারা চিন্তা করেছেন, আল্লাহ আপনাগো মঙ্গল করুক।
সংগঠনের সভাপতি মাসুদ রানা বলেন, সদস্যদের সম্পূর্ণ নিজস্ব সহায়তায় এই কার্যক্রম পরিচালনা করছি। গ্রামের অসহায়, দরিদ্র পরিবারের পাশে দাঁড়ানোই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। আমরা আমাদের সাধ্যমতো চেষ্টা করছি পাশে দাঁড়াতে। এমন সেবামূলক কাজে সবার অংশগ্রহণ কাম্য। গতকাল কম্বল বিতরণ আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন, প্রভাষক হাবিবুর রহমান হাবু, বিশেষ অতিথি নবিউল্লাহ (অব: ম্যানেজার জনতা ব্যাংক), সাহাবুর রহমান (সাধারণ সম্পাদক স্পর্শ ফাউন্ডেশন) সাংবাদিক আবু হাসান আনছারী, লাদেন মাহমুদ প্রমুখ ।