প্রিন্ট এর তারিখঃ জুলাই ৩০, ২০২৬, ৫:২২ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ ডিসেম্বর ৩১, ২০২৫, ৩:০৯ পি.এম
সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যু- কাঁদছে বাংলাদেশ

শাহীন শহীদঃ
বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক দল বিএনপির চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া মারা গেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বিবিসিকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ৩০শে ডিসেম্বর, মঙ্গলবার ভোর ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন খালেদা জিয়া। কিডনি, হৃদরোগ এবং নতুন করে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে গত
প্রায় এক মাস যাবত তিনি ওই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
এদিকে, খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে বাংলাদেশের অর্ন্তবর্তী সরকার। খালেদা জিয়ার মৃত্যুর ঘোষণা আসার কয়েক ঘণ্টা পর মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস এই ঘোষণা দিয়েছেন। এছাড়া বুধবার খালেদা জিয়ার জানাজা উপলক্ষ্যে সরকার একদিনের সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে বলেও জানান তিনি।
খালেদা জিয়া অসুস্থ অবস্থায় এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর থেকেই সর্বস্তরের জনগণ ব্যাপক উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় দিন কাটান। তার প্রতি মানুষের যে অপরিসীম ভালোবাসা, তা প্রকাশ পায় হাসপাতালের সামনে ভিড়ে। জনগণের ভিড় সামলাতে পুলিশকে হিমশিম খেতে হয়েছে। ঢাকাসহ সারাদেশের জেলা-উপজেলার মসজি ও মাদরাসায় টানা দোয়া মাহফিল চলতে থাকে। দোয়া হয় প্রতি শুক্রবার জুমার নামাজের পর। রাজনৈতিক দলের নেতারা মন্তব্য করেছেন, খালেদা জিয়া এখন আর শুধু কোনো নির্দিষ্ট দলের নেত্রী নন, তিনি সমগ্র বাংলাদেশের মানুষের প্রিয় নেত্রী এবং জাতীয় ঐক্যের প্রতীকে পরিণত হয়েছেন। দল-মত নির্বিশেষে সাধারণ মানুষ এবং বিশ্বনেতারাও তার অসুস্থতায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন, যা তাকে একটি জাতীয় অভিভাবকের আসনে উন্নীত করেছে, তার দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম, বিশেষ করে গত দেড় দশকের প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও দেশ না ছাড়ার আপোসহীন মনোভাব এবং জেল-জুলুমের অপরিসীম ত্যাগ তাকে সাধারণ মানুষের কাছে এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে।
এদিকে রাষ্ট্রীয় পর্যায় থেকেও গভীর শোক জানানো হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এক শোকবার্তায় বেগম খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন। তিনি বলেন, 'বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক পরম মহিমান্বিত ব্যক্তিত্ব। গণতন্ত্র, বহুদলীয় রাজনৈতিক সংস্কৃতি এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে তাঁর অসামান্য ভূমিকা ইতিহাসে অম্লান হয়ে থাকবে। স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে তাঁর আপসহীন নেতৃত্ব বারবার জাতিকে গণতন্ত্রহীন পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের পথ দেখিয়েছে এবং মুক্তির প্রেরণা যুগিয়েছে। দেশ ও জাতির প্রতি তাঁর সমুজ্জ্বল অবদান জাতি চিরকাল শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।
তিনি আরও বলেন, তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক যাত্রা, গণমুখী নেতৃত্ব এবং প্রিয় মাতৃভূমির স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে সমুন্নত রাখতে তাঁর অবিচল ভূমিকা অবিস্মরণীয় হয়ে থাকবে। এমন একজন মহান, দূরদর্শী ও নিখাদ দেশপ্রেমিক নেত্রীর শূন্যতা পূরণ হবার।
এদিকে রাষ্ট্রীয় পর্যায় থেকেও গভীর শোক জানানো হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এক শোকবার্তায় বেগম খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন। তিনি বলেন, 'বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক পরম মহিমান্বিত ব্যক্তিত্ব। গণতন্ত্র, বহুদলীয় রাজনৈতিক সংস্কৃতি এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে তাঁর অসামান্য ভূমিকা ইতিহাসে অম্লান হয়ে থাকবে। স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে তাঁর আপসহীন নেতৃত্ব বারবার জাতিকে গণতন্ত্রহীন পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের পথ দেখিয়েছে এবং মুক্তির প্রেরণা যুগিয়েছে। দেশ ও জাতির প্রতি তাঁর সমুজ্জ্বল অবদান জাতি চিরকাল শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।
তিনি আরও বলেন, তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক যাত্রা, গণমুখী নেতৃত্ব এবং প্রিয় মাতৃভূমির স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে সমুন্নত রাখতে তাঁর অবিচল ভূমিকা অবিস্মরণীয় হয়ে থাকবে। এমন একজন মহান, দূরদর্শী ও নিখাদ দেশপ্রেমিক নেত্রীর শূন্যতা পূরণ হবার। সারা বাংলাদেশ শোকাহত। কাঁদছে বাংলাদেশ।
সম্পাদক ও প্রকাশক : শাহীন শহীদ
প্রধান কার্যালয় : ৪, মহাখালী, ঢাকা-১২১২।
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: বাড়ি-৮০, রাস্তা-০১, পূর্ব শালবন, রংপুর।
ই-মেইল : info@bddainik.com
মোবাইল নম্বর: +8801345-887528
স্বত্ব © ২০২৫ বাংলাদেশ দৈনিক